দারুল হুদা মুহিউস সুন্নাহ পুখুরিয়া
June 09 2026, 05:08
প্রতিষ্ঠানের নাম :- দারুল হুদা মুহিউস সুন্নাহ পুখুরিয়া
প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা :- বাগুয়া দক্ষিণপাড়া, গফরগাঁও, ময়মনসিংহ
প্রতিষ্ঠা কাল :- 2004
প্রতিষ্ঠাতা :- মাও. ফখরুল ইসলাম রহ.
প্রতিষ্ঠাকালিন মুহতামিম :- মাও. ফখরুল ইসলাম রহ.
প্রতিষ্ঠাকালিন শিক্ষাসচিব :- মুফতী এনায়াতুল্লাহ
প্রতিষ্ঠাকালিন শিক্ষকবৃন্দ :- মাও. ফখরুল ইসলাম রহ.
মুফতী হেমায়াতুল ইসলাম দা.বা.
মুফতী এনায়াতুল্লাহ
মাও. আবু হুরাইরা ফেনী
প্রতিষ্ঠাকালীন জামাত : নূরানী, নাজেরা, হিফজ, কিতাব বিভাগ : কাফিয়া
দাওরা শুরু : 2020
মাদরাসার স্বর্নোজ্বল ইতিহাস :- এখানে আমি দেখেছি, রাসূলে আরাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাহ জীবন্ত হয়ে ঝলকে উঠে শত শত নূরানী চেহারায়। বিনয় ও তাওয়াযু’ সসম্ভ্রমে লাজুকতায় এখানে আত্মপ্রকাশ করে। পরস্পর সৌহার্দ্য সম্প্রীতি, হার্দিক ভালোবাসা এখানে দীপ্তিময় হয়ে উঠে কথায় আর আচরণে।
এখানে অনেক ছাত্র উসতাদ আছেন, যাদেরকে বলা যায় ভোরের পাখি। না না! নিশীথের পাখি। সমস্ত সৃষ্টি যখন গভীর সুষুপ্তিতে আচ্ছন্ন তখন তারা জেগে উঠেন। আল্লাহ তাআলার দরাবারে রোনাযারি করেন। তাদের হৃদয় ভাঙ্গা থাকে, দৃষ্টি হয় আনত। রাত যত গভীর হতে থাকে তাদের হৃদয় ততটাই ব্যাকুল হতে থাকে। জমাটবাঁধা অন্ধকারে বারান্দার কোণে, ছাদের নিভৃত কোনো এক পাশে, কিংবা নিজ কামরার সবচেয়ে অন্ধকার যেখানে- নির্জনে নিজের মশারির ভেতরে, অথবা মাদরাসা থেকে দূরে গ্রামের কোনো এক মসজিদে তাদের হৃদয়গুলো গলে গলে বের হয়ে আসে দু চোখ বেয়ে।
রাতের নিস্তরঙ্গ নীরবতার অসীম শূন্যতায় নিশাচর পাখিরাও যখন ডানা ঝাপটায়, তখন ধীরে ধীরে জেগে উঠে দারুল হুদা। আল্লাহ তাআলার দরবারে ছাত্রদের বিগলিত হৃদয়ের আর্তি, হৃদয় ফেটে বের হয়ে আসা অস্ফুট গোঙানি, প্রথম আসমানে নেমে আসা রবের খাযানা থেকে নিজেদের এবং মাদরাসার সকল প্রয়োজন পূরণ করার জন্য আল্লাহ তাআলার দরবারে তাদের অবোধ শিশুর মতো কান্না— দারুল হুদার পরিবেশকে অন্যরকম করে তুলে। আমার বিশ্বাস, আসমানের ফেরেশতারা তখন নেমে আসে এই ধুলির ধরায়; যমীনের এই ফেরেশতাগুলোকে দেখার জন্য!
֎ ֎ ֎ ֎
নতুন কোনো আগন্তুকের জন্য এই মাদরাসার পরিবেশ খুবই আশ্চর্যজনক মনে হবে; বরং কারো কাছে অত্যাশ্চর্যও মনে হতে পারে। এখানকার ছাত্র-শিক্ষকদের মাঝে সহজেই কোনো পার্থক্য করতে পারবে না। তাদের একই বেশ-ভূষা, সহজ সরল কথাবার্তা এবং পরম আন্তরিক ঘনিষ্ট আচরণের সামনে ছাত্র-শিক্ষকের বিভাজনরেখা মুছে যায়।
হৃদ্যতাপূর্ণ আচরণ আর মিষ্টি হাসির ঝলক দিয়ে তারা মেহমানকে সাদরে গ্রহণ করবেন। যখন খাবারের সময় হবে তখন মাদরাসায় ছাত্রদের হাতে রান্না করা খাবারে, কিংবা বাড়ি ও লজিং থেকে আনা খাবারের একীভূত আয়োজনে তারা মেহমানকে সবিনয়ে দাওয়াত দিবেন। খেতে বসার পর সবার খাবারের উৎকৃষ্ট অংশটুকু মেহমানের সামনে পরিবেশন করে এমন বিগলিত কৃপার্থী চিত্তে মেহমানকে খেতে বলবেন, যেন তাদের পরিবেশিত এই নুন-পান্তা কিংবা ডাল-ভাত মেহমান দয়া করে গ্রহণ করলে পুরো মাদরাসার সকল ছাত্রদের মন আজ পরিতৃপ্ত হবে। তারপর হয়তো কাশির ছলে কিংবা পানি আনার কথা বলে মেজবান উঠে যাবেন; অথবা পেটের ব্যথার কথা বলে দু’লোকমা মুখে দিয়ে বসে থাকবেন। মেহমানের খাবার শেষ হওয়ার পর যথাযথ মূল্যায়ন ও মেহমানদারি করতে না পারায় এমনভাবে সংকোচে ক্ষমা প্রার্থনা করবেন যেন এই মুহূর্তে পৃথিবীর সবচেয়ে অপরাধী তিনি।
তারা নিজের খাবার অন্যের মুখে তুলে দিয়ে এতটাই তৃপ্তি অনুভব করেন এবং নিজের ক্ষুধার কথা ভুলে যান, কুরআন যেন তাদের মধ্যে জীবন্ত হয়ে উঠে,
وَيُؤْثِرُونَ عَلَى أَنْفُسِهِمْ وَلَوْ كَانَ بِهِمْ خَصَاصَةٌ ৯
বছরের শুরুতে এমন অনেক ছাত্র ভর্তি হয়, যাদের খাবারের কোনো ব্যবস্থা থাকে না। তখন দারুল হুদায় একটা প্রতিযোগিতা জেগে ওঠে। কাছের বা দূরের মসজিদগুলোতে যারা থাকে তারা মেহমান ‘ধরে ধরে নিয়ে যায়’। মাদরাসায় যারা থাকে তারাও খাবারের সময় খুঁজে খুঁজে এমন ছাত্রদেরকে এনে দস্তরখানে শরীক করে।
প্রত্যেক জামাতে ‘ইছার-হামদর্দির’ একজন যিম্মাদার থাকেন। তিনি জামাতের সাথীদের, সাথীদের পরিচিতদের কিংবা তাদের এলাকা থেকে যারা এসেছে তাদের মেহমানদারি ও খাবার দাবারের খোঁজ রাখেন। রাসূলের মাদীনার প্রথম যুগের দিনগুলো তখন দারুল হুদায় জীবন্ত হয়ে ফিরে আসে। এই দৃশ্য কলম-কালিতে ফুটিয়ে তুলবার নয়; হৃদয় দিয়ে অনুভব করার। আমার সৌভাগ্য, এমন চিত্রগুলো দেখার সুযোগ আমার হয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ।
֎ ֎ ֎ ֎
বছরের শুরুতে মাদারাসায় বড় একটি মাশওয়ারা হয়। সেটার নাম ‘কুল মাশওয়ারা’। এক বছর মাদরাসা পরিচালনা করার জন্য ছাত্র উসতাদদের সমন্বয়ে ছোট বড় সকল কাজের যিম্মাদারি ভাগ করা হয়। ইলমের যিম্মাদারি, আমলের যিম্মাদারি, কুরআনের মুসহাফ হেফাযত করার যিম্মাদারি, কেরাত ও কুরআন শিক্ষার যিম্মাদারি, ছাত্রদের নামাযের তদারকি, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, রান্নাবান্না, মেহমানদারি, ইছার ও হামদর্দিসহ আরও বিভিন্ন পর্যায়ে চল্লিশটিরও অধিক যিম্মাদারি ভাগ করা হয়। সেই যিম্মাদারিগুলো জামাতওয়ারি আরও শাখা প্রশাখায় বিভক্ত করে মাদরাসার প্রায় সকল ছাত্রকে এর সাথে কোনো না কোনোভাবে যুক্ত করে দেওয়া হয়। প্রত্যেকেই অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে, একমাত্র আল্লাহ তাআলাকে সন্তুষ্ট করার জন্য পার্থিব কোনো বিনিময় ছাড়াই এই যিম্মাদারিসমূহ পালন করেন।
সে সকল যিম্মাদারির কার্যপদ্ধতিও এত বৈচিত্র্যময় যে, কাছে থেকে না দেখলে এবং গভীরভাবে উপলব্ধি না করলে তা বুঝানো সম্ভব নয়। এভাবে মাদরাসার পরিচালনার সাথে ছাত্ররা পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষভাবে জড়িয়ে থাকার কারণে মাদরাসার সাথে তাদের সম্পর্ক আরও নিবিড় ও গভীর হয়ে ওঠে।
֎ ֎ ֎ ֎
যখন মাদরাসার কোনো কাজের তাকাযা আসে তখন সবার আগে গুরুত্বের সাথে দুআর ইহতিমাম করা হয়। সবাই মিলে দুআ করেন। বাহ্যিক উপায় উপকরণের যিম্মাদারি আল্লাহর হাওয়ালা করে নিজেরা হালকা হয়ে যান। মাদরাসার প্রতিটি কাজ এমন অভাবনীয়ভাবে সম্পন্ন হয়, আমাদের মতো মানুষের পক্ষে তো কল্পনা করাও দুঃসাধ্য!
এরপর কাজ শুরু হয়। সবাই একসাথে কাজে অংশগ্রহণ করেন। এমনও হয়, উসতাদ মাটি কেটে দেন আর ছাত্র তা মাথায় বহন করে নিয়ে যায়। ছাত্র সিমেন্ট বালুর মশলা বানিয়ে নিয়ে আসে আর উসতাদ নিজ হাতে একটার পর একটা ইটের গাঁথুনি দিতে থাকেন। মাদরাসার ঘর তৈরি করা, ক্ষেতের ফসল ফলানো, পুকুরে মাছ চাষ করা, বিল সেঁচে মাছ ধরা, লাকড়ি কাটা, মাদরাসার সাফাইর কাজ করাসহ আরও যত ধরনের ছোট বড় কাজ আছে সবখানে ছাত্র উসতাদ সবাই মিলে অংশগ্রণ করেন। কাজের সময় এখানে কেউ কারো চেয়ে বড় নয়, কাজটা যিনি ভালো বুঝেন তিনিই পরামর্শক্রমে কাজের পরিচালনা করেন। কোনো কাজে যদি ছাত্র থাকেন যিম্মাদার আর উসতাদ হোন সাধারণ ‘মামুর’ তাহলেও অবাক হওয়ার কিছুই নেই। এটাই এখানের নিত্যচিত্র!
শুনেছি, বড় হুজুর রহ. জীবনের শেষ দিকে যখন অনেক অসুস্থ, তখনও তিনি ছাত্রদের সাথে কাজ করতেন। কী কী কাজ করতেন, কিভাবে করতেন সে কথা আমি যখন শুনেছি, আমার কাছে রূপকথার মতোই মনে হয়েছে।
֎ ֎ ֎ ֎
কাজের সময় ছাত্রদের হাত এবং মুখ একইসাথে সমানতালে চলতে থাকে । হাতে কাজ চলে আর মুখে মুখে পড়া। তাকরার, ইজরা, পেছনের পড়ার পূণর্পাঠ, সীগা টানা, তিলাওয়াতের মশকসহ আরও অনেক ধরণের পড়া। এখানে খেদমতের ভীড়ে পড়া হারিয়ে যায় না। ছাত্ররা বিশ্বাস করে, খেদমত আল্লাহর কাছে কবুলিয়্যাতের জন্য, আর পড়াশোনা হলো সামনে আরও বড় খিদমতের ক্বাবিলিয়্যাতের জন্য। সবকিছুর চূড়ান্ত উদ্দেশ্য আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি অর্জন করা।
শুক্রবার মাদরাসার সাপ্তাহিক তাকরারের দিন। সারা সপ্তাহের পড়াগুলো এইদিন তাকরার, ইজরা ও মুখস্থ করা হয়। দরসের ইহতিমাম এখানে এত বেশি— আমি দেখেছি, অনেকসময় ছাত্ররা এসে হুজুরের কাছে বসে থাকে। তার অভিযোগ, অভিভাবকরা তাকে জোর করে বাসায় নিতে চাচ্ছে, কিন্তু সে পড়া বাদ দিয়ে বাসায় যেতে নারাজ!
ছাত্ররা জায়গীরে যাওয়ার সময় কিংবা কোনো প্রয়োজনে বাজারে গেলে সাথে একটা কিতাব থাকবে। হাঁটতে হাঁটতে সে কিতাব পড়তে থাকবে। কিতাবের কোথাও আটকে গেলে পাশে হাঁটতে থাকা ভাইটির কাছে সেখানেই পড়াটা জিজ্ঞেস করে নিবে কোনো দ্বিধা-সংকোচ ছাড়াই! দারুল হুদার এই ‘বৈশিষ্ট্য ফয়যুল উলুম হাতিয়া’ থেকে পাওয়া মৌরুসী সম্পদ।
֎ ֎ ֎ ֎
তালিবে ইলমদের ইলমী আমলী তারাক্কীর জন্য প্রতি সোমবার বয়ান হয়। আমার ক্ষুদ্র দৃষ্টিতে মনে হয় কোনো একটি দ্বীনী মাদরাসার ছাত্রদের মাঝে ইলম-আমল-ইখলাস-তাকওয়ার স্ফুরণ ঘটানোর জন্য, ইলমের রাহে কুরবানীর জযবা সৃষ্টি করার জন্য এমন একটি বয়ানই যথেষ্ট।
মাদরাসায় পাঁচটি আমলের ব্যাপারে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। কারণ এই পাঁচটি আমল আরও অনেক আমলকে একসূত্রে গেঁেথ রাখে। তালিবে ইলমদেরকে গুনাহ ও গুনাহের পরিবেশ থেকে অনেক দূরে রাখে। আমলগুলো হলো, তাকবীরে উলার সাথে পাঁচ ওয়াক্ত নামায আদায় করা, নিয়মিত তাহাজ্জুদের ইহতিমাম করা, পাগড়ি পরা, নির্দিষ্ট পরিমাণ কুরআন তিলাওয়াত করা এবং মিসওয়াক করা।
তাকবীরে উলা, তাহাজ্জুদ, তিলাওয়াত আর মিসওয়াক ছাত্রদের একান্ত আমল। এমন আমলগুলোর কারণে এখনও দারুল হুদা সজীব। কিন্তু ছাত্রদের মাথায় শ্বেতশুভ্র পাগড়ি যেন দারুল হুদার একক বৈশিষ্ট্য। প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এই সুন্নাতকে এমন মজবুতভাবে আঁকড়ে ধরে রেখেছে দারুল হুদা; এই পাগড়ি যেমনভাবে রাসূলের সুন্নাত, তেমনি যেন দারুল হুদার শীআর। অত্র অঞ্চলের মানুষ কলারবিহীন পাঞ্জাবী, মাথায় পাগড়ি আর বিনয়নম্র চেহারা দেখেই আলাদাভাবে চিনে নেয়, ‘ইনি ফখরুল হুজুরের মাদরাসার সন্তান’!
প্রতি বৃহস্পতিবার আমলের মুযাকারা হয়। প্রতি জামাতের আমলের যিম্মাদারগণ সাথীদেরকে নিয়ে বসেন। পুরো সপ্তাহের আমলের জায়েযা (খোঁজ) নেওয়া হয়। সেই মজলিসের অবস্থা যে কেমন হয়; নিজেদের আমলের ত্রুটির কারণে দিলের যে কম্পন সৃষ্টি হয়, সামনের সাপ্তাহে আরও সুন্দর করে আমল করার যে স্পৃহা জাগ্রত হয়― সে কথা আমার কলমে চিত্রায়িত করা সম্ভব নয়। আমি অক্ষম!
পড়ালেখার পাশাপাশি মাদরাসায় দাওয়াত ও তাবলীগের কাজও চলমান। বড় হুজুর রহ. ছিলেন একজন সাচ্চা দায়ী। তাঁর তাবলীগের মেহনতের ঘটনাগুলো অনেকটাই রূপকথার মতো মনে হয়।
মাদরাসাটি যে বোর্ডের অধিনে :- বেফাকুল মাদারিসিলি আরাবিয়া
বর্তমান মুহতামিম :- মুফতী হেমায়াতুল ইসলাম
বর্তমান মুহতামিমের মোবাইল নাম্বার :- 01711207677
বর্তমান শিক্ষাসচিব :- মুফতী এনায়াতুল্লাহ
বর্তমান শিক্ষকবৃন্দের তালিকা :-
1. মুফতি হেমায়তুল ইসলাম
2. মুফতি মাসুম বিল্লাহ কাসেমী
3. মুফতি আবু আসিম এনায়াতুল্লাহ
5. মুফতি ইয়াসিন
6. মুফতি নজমুল হক
7. মাওলানা আসাদুল্লাহ সাহেব
8. মাওলানা জাবের
9. মাওলানা আব্দুর রহিম
10. মুফতি আব্দুস সুবহান
11. মুফতি হাবিবুল্লাহ
12. মুফতি তাশাররুফ হোসেন
13. মুফতি আসাদুল্লাহ সাহেব (বাগুয়া)
14. মুফতি ইউসুফ ফারিদপুরী
15. মুফতি মাহদী
16. মুফতি মুস্তফিজুর রহমান
17. মুফতি আনোয়ার
18. মাওলানা মুমিনুল হক
19. মাওলানা জামীরুদ্দীন
20. মাওলানা উমর ফারুক
চলমান মোট ছাত্র সংখ্যা :- 2500
চলমান দাওরায়ে হাদিস ছাত্র সংখ্যা :- 25
চলমান ছাত্রাবাসে অবস্থান রত ছাত্র সংখ্যা :- 2400
তথ্য দানকারীর নাম :- আবু ইফফাত
তথ্য দানকারীর মোবাইল :- 01796336612
তথ্য দানকারীর ইমেইল :- mrahman4413@gmail.com
