সারাদেশের মাদ্রাসাসমূহ (বিভাগ ভিত্তিক)

ড. মাহমুদুল হাসান আল আজহারী দা.বা. এর সংক্ষিপ্ত জীবনী

নভেম্বর ১৫ ২০২০, ০৩:৫৩

নাম :- মাহমুদুল হাসান আল আজহারী

চট্টগ্রামের মীরসরাই থানাধীন হিঙ্গুলী গ্রামের এক সম্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি হাজী মুহাম্মদ ইলিয়াস ও লায়লা আক্তারের জ্যেষ্ঠ পুত্র। ১৯৯৩ সালে তিনি বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া ( কওমী মাদরাসা শিক্ষাবাের্ড ) থেকে তাকমীল শ্রেণিতে ( দাওরায়ে হাদীস ) রেকর্ড সংখ্যক মার্ক পেয়ে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আরবী ও ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ থেকে বি.এ. অনার্স ও এম.এ. ডিগ্রি অর্জন করেন। উভয় পরীক্ষাতেই তিনি প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করেন।

হাজার বছরের প্রাচীন বিদ্যাপীঠ মিশরের ঐতিহ্যবাহী আল আযহার ইউনিভার্সিটির ইসলামী ধর্মতত্ত্ব অনুষদ থেকে Excellent Grade পেয়ে লিসেনসিয়েট ডিগ্রি লাভ করেন। তারপর সরকারি স্কলারশিপ নিয়ে কায়রাে ইউনিভার্সিটির ইসলামিক ফিলসফির ওপর পােস্ট গ্রাজুয়েট ডিপ্লোমা করেন। দেশের অন্যতম সুনামধন্য ইসলামী বিদ্যাপীঠ আল জামিয়া আল ইসলামিয়া পটিয়ায় শিক্ষকতার মাধ্যমে তার কর্মজীবনের সূচনা ঘটে। প্রায় আট বছর তিনি সেখানে সিনিয়র শিক্ষক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।

২০০০ সালের ৫ ডিসেম্বর তিনি আন্তর্জাতিক ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রামের কোরআনিক সায়েন্সেস অ্যান্ড স্টাডিজ বিভাগে যােগদান করেন । দীর্ঘ সাড়ে তিন বছর তিনি সেখানে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করে ২০০৪ সালের ১লা আগস্ট চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবী ও ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে প্রভাষক হিসাবে যােগদান করেন। তিনি ২০০৫ সালে ইংল্যান্ডের Loughborough University এর অধীনে The Markfield Instiute of Higher Education- এ মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি লন্ডনে স্কুল অব এডুকেশন থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। সাউথেন্ড সিতে অবস্থিত দা অ্যাসেক্স মসজিদের তিনি গ্র্যান্ড ইমাম। সেখানে ‘ ইউনাইটেড রিফর্ম চার্চ \’ ক্রয় করে বড় ইসলামিক কমপ্লেক্স গঠনে বড় ভূমিকা রেখেছেন। লন্ডনের চ্যানেল এস টিভি\’তে প্রায় নিয়মিত প্রােগ্রাম করেন। জাতীয় এবং আঞ্চলিক বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় শায়খ মাহমুদুল হাসানের বহু প্রবন্ধ-নিবন্ধ এবং অনুবাদ প্রকাশিত হয়েছে ও পাঠকমহলে সাড়া জাগিয়েছে। মিশরের ঐতিহ্যনির্ভর তাঁর ভ্রমণকাহিনিগুলাে পাঠককে আলােড়িত করেছে। IIUC STUDIES ও ইসলামিক ফাউন্ডেশন পত্রিকায় তার কয়েকটি গবেষণা আর্টিক্যাল প্রকাশিত হয়েছে।

মিম্বারের ধ্বনি বই থেকে সংগৃহীত

Spread the love