সারাদেশের মাদ্রাসাসমূহ (বিভাগ ভিত্তিক)

জামেয়া ইসলামিয়া ফরিদাবাদ সিলেট

অক্টোবর ০৪ ২০১৮, ০৩:৪১

42607396_1831788896918627_3731313444683513856_n

পরিচালক : হাফিয মাওলানা ফখরুযযামান

জামেয়া ইসলামিয়া ফরিদাবাদ সিলেট একটি ব্যতিক্রমধর্মী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। রয়েছে এর সুদূর প্রসারী পরিকল্পনা। আরবীয় লাহনে আন্তর্জাতিক মানের হাফিয তৈরি ও বিষয়ভিত্তিক পাঠদান ও বাস্তবভিত্তিক গবেষণার মাধ্যমে এমন একদল যুগসচেতন যোগ্য হাফিয ও আলিম গড়ে তোলাই এর মূল লক্ষ্য। যারা চলমান সময়ের যেকোনো চ্যালেঞ্জে জাতিকে সঠিক দিক নির্দেশনা প্রদান করবে। মানুষ পাবে তাদের কাছে যুগজিজ্ঞাসার সঠিক সমাধান। নতুন আঙ্গিকে পরিচালিত এই প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে প্রশংসা কুড়াতে সক্ষম হয়েছে সুধি মহলের। স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন পরীক্ষা ও প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে জামেয়ার ছাত্ররা কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছে।

শুভ স্বপ্ন
মাওলানা আতাউল হক সাহেব
নাযিম, জামেয়া কাসিমুল উলূম দরগাহে হযরত শাহজালাল রাহ.
আজ শুক্রবার ৩ জুলাই ২০১৫ ইংরেজি, মুতাবিক ১৫ই রামাযান ১৪৩৬ হিজরি। জুমুআর নামায শেষে মসজিদ থেকে বের হওয়ার পথে দেখি মাওলানা আতাউল হক সাহেব মসজিদে বসা। সালাম কালাম শেষে হুজরায় আসলেন। বিভিন্ন বিষয় আলোচনা হয়। এক পর্যায়ে বললেন আপনার মাদরাসা নিয়ে একটি স্বপ্ন দেখেছি। কয়েকদিন থেকে খেয়াল এসে আপনাকে বলব। সময় হয়ে উঠছে না। তাই আজ এসে জুমুআর নামায পড়লাম। স্বপ্ন হল- শাবান মাসের শেষ দিকে একদিন রাতে গভীর ঘুমে নিমগ্ন। শেষ রাতের দিকে স্বপ্নে দেখি। আপনার মাদরাসায় মাওলানা তাকি উসমানি মা. যি. অবস্থান করছেন। আমরা তার সাথে দেখা করতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি। কারণ তিনি শহরের ঝামেলার কারণে শহরের দিকে আসবেন না। আপনার মাদরাসায়ই অবস্থান করবেন। আর আপনি তার থাকা খাওয়ার জন্য বেশ ভাল ব্যবস্থা করেছেন। তার রোমে এসিও লাগানো হয়েছে। তার সাথে রয়েছেন হিন্দুস্তানের আরো একজন বুযুর্গ। কে তা আমার মনে নেই। পরে দেখি দরগার ইমাম সাহের রাহ. তাকি এসেছেন আর তাকে জানানো হয়নি এজন্য খুবই রাগ করছেন। পরে ইমাম সাহেব রাহ তার পকেট থেকে একটি মূল্যবান পাথর বের করে দিয়ে বলছেন- এটা মেহমানদেরকে দিয়ে দিও। এটা খুবই মূল্যবান পাথর। তাদের কাজে লাগবে।
হাফিয মাওলানা ফখরুযযামান
পরিচালক, জামেয়া ইসলামিয়া ফরিদাবাদ সিলেট

 

ভর্তির নিয়মাবলি
হিফয শাখা:

  • হিফয শাখায় ভর্তিচ্ছু সবাইকে ৩ রামাযানের ভেতর সাময়িকভাবে ভর্তি হতে হয়।
  • হিফজ শাখার জন্য শুধু নাযেরাহ বিভাগ ছাড়া অন্য কোনো বিভাগে ভর্তি নেই।
  • ২৫ রামাযান পর্যন্ত যাচাই করে যারা ভর্তির যোগ্য বলে বিবেচিত হন, শুধু তাদেরকেই ভর্তির সুযোগ প্রদান করা হয়।
  • স্কুল-শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে জানুয়ারিতে সীমিত সংখ্যক শিক্ষার্থীকে ভর্তির সুযোগ দেওয়া হয়।
  • নাযেরাহ বিভাগে ভর্তির বয়স ৭ থেকে ১০ বছর।

মাদানি নেসাব:

  • মাদানি নেসাবে প্রাথমিক চতুর্থ, পঞ্চম বা তাহফিযুল কুরআন সমাপনকারীদের জন্য ‘এদাদিয়া’ বা প্রস্তুতি ক্লাসে ভর্তি নেওয়া হয়।
  • শিক্ষার্থীর মেধা ও অবস্থা বিবেচনা করে মাদানি নেসাব প্রথম, দ্বিতীয় বা তৃতীয় বর্ষে ভর্তির সুযোগ দেওয়া হয়।

ভর্তি ফি: (ফরিদাবাদ ক্যাম্পাস)

  • মাদানি নেসাব ৩০০০/= (তিন হাজার টাকা মাত্র)।
  • হিফয বিভাগ ও নাযেরাহ: ৪০০০/= (চার হাজার টাকা মাত্র)।

মাসিক হোস্টেল ফি:

  • হিফয বিভাগ ও নাযেরাহ ৩০০০/= (তিন হাজার টাকা মাত্র)।
  • মাদানি নেসাব: ২০০০/= (দুই হাজার টাকা মাত্র)

ভর্তি ও মাসিক ফি: (টিলাগড় ক্যাম্পাস)

  • হিফয বিভাগ ও নাযেরাহ ৫০০০/= (তিন হাজার টাকা মাত্র)।
  • মাসিক হোস্টেল ফি: ৪০০০/= (চার হাজার টাকা মাত্র)
Spread the love